![]() |
| অ্যানথ্রাক্স রোগীর প্রতীকী ছবি |
রংপুরের পীরগাছা উপজেলায় অন্তত আটজনের শরীরে অ্যানথ্রাক্স জীবাণু শনাক্ত করেছে রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউট (আইইডিসিআর)। এছাড়া কয়েকটি বাড়ির ফ্রিজে রাখা গরুর মাংস থেকেও অ্যানথ্রাক্সের উপস্থিতি পাওয়া গেছে।
ডেপুটি সিভিল সার্জন মো. রুহুল আমিন জানিয়েছেন, পীরগাছার বাইরে আরও দুই উপজেলা থেকে সন্দেহভাজন রোগীর নমুনা পাঠানো হয়েছে। আগস্টের শেষ দিক থেকে অন্তত ৩০ জন অ্যানথ্রাক্সের উপসর্গ নিয়ে চিকিৎসা নিয়েছেন এবং সুস্থ হয়েছেন। তবে অ্যানথ্রাক্সে মৃত্যুর কোনো নিশ্চিত তথ্য পাওয়া যায়নি।
স্বাস্থ্য ও প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তারা জানান, আক্রান্তরা মূলত অসুস্থ গরু জবাই ও কাঁচা মাংস কাটাকাটির সময় সংক্রমিত হয়েছেন। এ কারণে স্থানীয়ভাবে অসুস্থ গরু জবাই বন্ধ, সচেতনতামূলক প্রচারণা এবং ব্যাপক হারে টিকাদান কর্মসূচি চালু করা হয়েছে। ইতিমধ্যে জেলার এক লাখের বেশি গবাদিপশুকে ভ্যাকসিন দেওয়া হয়েছে।
জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অ্যানথ্রাক্সের চিকিৎসা সহজলভ্য এবং এতে মৃত্যুঝুঁকি কম, তবে অসুস্থ গরুর মাংস বা কাঁচা মাংস স্পর্শ করলেই সংক্রমণের আশঙ্কা থাকে। তাই অসুস্থ গরু জবাই বন্ধ ও মৃত পশুকে মাটির গভীরে পুঁতে ফেলার পরামর্শ দিয়েছেন তারা।
বাংলাদেশে রান্না করা মাংসে সাধারণত অ্যানথ্রাক্স জীবাণু সক্রিয় থাকে না। তবে কাঁচা মাংসের সংস্পর্শে যারা যান তাদের সতর্ক হওয়ার আহ্বান জানিয়েছে আইইডিসিআর।
সূত্র: আলোছায়া নিউজ ডেস্ক

0 মন্তব্যসমূহ