![]() |
| সংগ্রহীত ছবিঃ নিঝুম মজুমদার |
জাতিসংঘে ভলকার টার্ক ও ড. মুহাম্মদ ইউনুসের জমা দেওয়া তথাকথিত মানবাধিকার প্রতিবেদনকে “ভিত্তিহীন ও রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত” বলে আখ্যা দিয়েছে আইসিআর ফাউন্ডেশন। সংস্থাটির পক্ষ থেকে জাতিসংঘে ৫০০ পৃষ্ঠার পাল্টা প্রতিবেদন দাখিল করা হয়েছে, যেখানে মূল প্রতিবেদনের প্রতিটি অভিযোগ ও তথ্যের বিশদ জবাব উপস্থাপন করা হয়েছে।
‘বাংলাদেশবিরোধী ষড়যন্ত্রের অংশ’ — নিঝুম মজুমদার
ভিডিওঃ বিশিষ্ট আইনজীবী ব্যারিস্টার নিঝুম মজুমদার
আইসিআর ফাউন্ডেশনের প্রধান ও বিশিষ্ট আইনজীবী ব্যারিস্টার নিঝুম মজুমদার এক বিবৃতিতে বলেন—
“ভলকার টার্ক ও ইউনুস যে প্রতিবেদন জাতিসংঘে জমা দিয়েছেন, তা সম্পূর্ণ মিথ্যা ও উদ্দেশ্যমূলক। এর মূল লক্ষ্য ছিল প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে মিথ্যা মামলায় জড়িয়ে রাজনৈতিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করা। বঙ্গবন্ধুর কন্যাকে তারা ভয় পায়, কারণ তিনি সত্য ও উন্নয়নের প্রতীক।”
তিনি আরও বলেন—
“আমাদের ৫০০ পৃষ্ঠার প্রতিবেদন জাতিসংঘে জমা দেওয়া হয়েছে, যেখানে প্রতিটি মিথ্যাচারের বিপরীতে বাস্তব তথ্য, সাক্ষ্যপ্রমাণ ও আন্তর্জাতিক আইনভিত্তিক বিশ্লেষণ উপস্থাপন করা হয়েছে। বাংলাদেশকে অপবাদ দেওয়ার চেষ্টা সফল হবে না।”
আরও পড়ুনঃ ঘরেই আসছে মানবাকৃতির রোবট ‘নিও’, দেখবে ও কাজ করবে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তায়!
প্রতিবেদনটির মূল বক্তব্য
আইসিআর ফাউন্ডেশনের পাল্টা প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে—
- জাতিসংঘে জমা দেওয়া মূল রিপোর্টের একাধিক তথ্য “অযাচাইকৃত” ও “রাজনৈতিক পক্ষপাতদুষ্ট”;
- বাংলাদেশের বর্তমান মানবাধিকার পরিস্থিতি সম্পর্কে ভুল চিত্র তুলে ধরা হয়েছে;
- শেখ হাসিনার সরকারকে লক্ষ্য করে আন্তর্জাতিক চাপ সৃষ্টির একটি সমন্বিত প্রচেষ্টা চলছে;
জাতিসংঘের এই প্রতিবেদনে স্থানীয় বাস্তবতা, আইনি কাঠামো ও আদালতের প্রক্রিয়াকে উপেক্ষা করা হয়েছে।
বিবৃতির শেষে ব্যারিস্টার নিঝুম মজুমদার বলেন—
“আমরা বিশ্বাস করি, একদিন বাংলাদেশের জনগণ বুঝবে—এই প্রতিবেদন কতটা গুরুত্বপূর্ণ ছিল। সত্যের বিজয় হবেই, কারণ মিথ্যা কখনো স্থায়ী হতে পারে না।”
আন্তর্জাতিক প্রতিক্রিয়া
আইসিআর ফাউন্ডেশনের প্রতিবেদন প্রকাশের পর দেশ-বিদেশে বিষয়টি নিয়ে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অনেকেই ব্যারিস্টার নিঝুম মজুমদারের এই উদ্যোগকে ‘দেশের ভাবমূর্তি রক্ষার সাহসী পদক্ষেপ’ বলে অভিহিত করেছেন।

0 মন্তব্যসমূহ