![]() |
| প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম |
২৯ অক্টোবর ২০২৫
অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস জানিয়েছেন, আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তারিখ ডিসেম্বরের প্রথম সপ্তাহে ঘোষণা করা হবে। এ লক্ষ্যেই ১৫ নভেম্বরের মধ্যে সব ধরনের নির্বাচনী প্রস্তুতি শেষ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
বুধবার (২৯ অক্টোবর) বিকেলে রাজধানীর ফরেন সার্ভিস একাডেমি মিলনায়তনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম এ তথ্য জানান।
তিনি বলেন, আগামী ১ নভেম্বর থেকে নির্বাচনকালীন প্রশাসনিক পদায়ন শুরু হবে। ইতোমধ্যে ৬৪ জেলার জন্য জেলা প্রশাসকদের দায়িত্ব বণ্টনের খসড়া তালিকা প্রস্তুত করা হয়েছে।
প্রেস সচিব আরও জানান—
- শ্বশুরবাড়ি বা আত্মীয়-স্বজনের এলাকায় কোনো কর্মকর্তা-কর্মচারীকে পদায়ন করা হবে না।
- গত তিনটি জাতীয় নির্বাচনে দায়িত্ব পালনকারী রিটার্নিং অফিসার, পোলিং এজেন্ট ও প্রিসাইডিং অফিসারদের এবারে দায়িত্বে রাখা হবে না।
নির্বাচনকে ঘিরে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) ব্যবহার করে দেশে-বিদেশে ভুল তথ্য ও অপপ্রচার চালানো হতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন প্রেস সচিব। এ বিষয়ে প্রধান উপদেষ্টা বিশেষ নির্দেশনা দিয়েছেন।
তথ্য বিভ্রান্তি রোধে একটি বিশেষ কমিটি গঠন করা হবে এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে সব ধরনের পরিস্থিতি মোকাবিলার প্রস্তুতি নিতে বলা হয়েছে।
নির্বাচন হবে চ্যালেঞ্জিং:
প্রধান উপদেষ্টার উদ্ধৃতি দিয়ে শফিকুল আলম বলেন—
“নির্বাচন বানচালের চেষ্টা দেশি-বিদেশি অনেক অপশক্তি করতে পারে। হঠাৎ আক্রমণ বা বিশৃঙ্খলা ঘটানোর আশঙ্কাও আছে। এই নির্বাচন হবে চ্যালেঞ্জিং, কিন্তু যত বাধাই আসুক, আমরা তা অতিক্রম করব।”
নির্বাচনী প্রস্তুতি সময়সূচি
প্রশাসনিক পদায়ন শুরু ১ নভেম্বর ২০২৫ জেলা পর্যায়ে দায়িত্ব বণ্টন
নিরাপত্তা প্রস্তুতি সম্পন্ন ১৫ নভেম্বর ২০২৫ সব বাহিনীর প্রস্তুতি শেষ
নির্বাচনের তারিখ ঘোষণা ডিসেম্বরের প্রথম সপ্তাহ আনুষ্ঠানিক ঘোষণার সম্ভাবনা
অন্তর্বর্তী সরকারের নির্দেশনা অনুযায়ী, ডিসেম্বরের প্রথম সপ্তাহেই বাংলাদেশের ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা আসছে। নির্বাচনকে ঘিরে প্রশাসনিক ও নিরাপত্তা প্রস্তুতি ইতোমধ্যে জোরদার করা হয়েছে।

0 মন্তব্যসমূহ