![]() |
| নবনিযুক্ত জার্মান রাষ্ট্রদূত ড. রুডিগার লোটজ যমুনায় প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনুসের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ । |
২৩ অক্টোবর ২০২৫ | ঢাকা
নবনিযুক্ত জার্মান রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর ইউনুসের সঙ্গে
সাক্ষাৎকালে প্রধান উপদেষ্টা নবনিযুক্ত রাষ্ট্রদূতকে বাংলাদেশে দায়িত্ব গ্রহণের জন্য আন্তরিক শুভেচ্ছা জানান এবং আশা প্রকাশ করেন যে তাঁর মেয়াদকালে বাংলাদেশ ও জার্মানির বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক আরও দৃঢ় ও বিস্তৃত হবে।
আলোচনায় রাষ্ট্রদূত অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রতি সমর্থন জানান এবং ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে অনুষ্ঠিতব্য জাতীয় নির্বাচনের প্রস্তুতি সম্পর্কে জানতে চান। তিনি বলেন, “বাংলাদেশে গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় জনগণের অংশগ্রহণ বাড়ছে — এটি অত্যন্ত ইতিবাচক একটি পরিবর্তন।”
![]() |
| জার্মান রাষ্ট্রদূত ড. রুডিগার লোটজ |
ড. লোটজ সরকার ঘোষিত ‘জাতীয় সনদ (July National Charter)’ উদ্যোগেরও প্রশংসা করেন। তিনি বলেন, “রাজনৈতিক দলগুলো আলোচনায় বসছে, এটা একটি ভালো দৃষ্টান্ত। এই সংস্কারধারা নির্বাচনের পরও অব্যাহত থাকা উচিত।”
![]() |
| জার্মান রাষ্ট্রদূত ড. রুডিগার লোটজ |
প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর ইউনুস বলেন, “জাতীয় ঐকমত্য কমিশন দেশের প্রধান রাজনৈতিক দলগুলোকে একই প্ল্যাটফর্মে এনে জাতীয় সনদে স্বাক্ষর করাতে সক্ষম হয়েছে — এটি ছিল ঐতিহাসিক মুহূর্ত। এটি ঐক্য ও পরিবর্তনের প্রতিশ্রুতির প্রতীক, যা নির্বাচনের আগে পারস্পরিক বিশ্বাস গঠনে সহায়ক হবে।”
আরও পড়ুন: বিমানবন্দরের আগুন ফ্যাসিস্ট হাসিনার নাশকতার অংশ: আমান উল্লাহ আমান।
তিনি আরও বলেন, “সরকার সর্বোচ্চ প্রচেষ্টা চালাচ্ছে যাতে ফেব্রুয়ারির নির্বাচন শান্তিপূর্ণ ও আনন্দময় পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়।”
সাক্ষাতে জার্মান রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশের ক্রমবর্ধমান সংখ্যক শিক্ষার্থীর জার্মানিতে পড়াশোনার আগ্রহের কথাও উল্লেখ করেন। উভয় পক্ষই দুই দেশের জনগণের মধ্যে ক্রমবর্ধমান যোগাযোগ ও সহযোগিতাকে স্বাগত জানান।
![]() |
| জার্মান রাষ্ট্রদূত ড. রুডিগার লোটজ |
তাঁরা রোহিঙ্গা শরণার্থী ইস্যু এবং এ বিষয়ে জার্মানির সহায়তা সম্পর্কেও আলোচনা করেন।
প্রধান উপদেষ্টা জানান, ইউরোপে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় বাণিজ্য অংশীদার হলো জার্মানি, এবং তিনি আশা প্রকাশ করেন যে নবনিযুক্ত রাষ্ট্রদূত দুই দেশের বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্পর্ক আরও জোরদার করতে ভূমিকা রাখবেন।
প্রফেসর ইউনুস তরুণ প্রজন্মের ক্ষমতা সম্পর্কেও আলোকপাত করে বলেন, “প্রযুক্তি ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের কারণে আজকের তরুণরা সহজেই নিজেদের মত প্রকাশ করতে, সংযোগ স্থাপন করতে ও অন্যায়ের বিরুদ্ধে কথা বলতে পারে।”
তবে তিনি সতর্ক করে দেন, “ভুয়া তথ্য বা বিভ্রান্তিকর প্রচারণা এখন নির্বাচনের আগে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জগুলোর একটি।”
সূত্র: এক্স পোষ্ট




0 মন্তব্যসমূহ